আমরা এমন একটা জেনারেশন। যে জেনারেশনের পোলাপান যারা বাঁশ খাইতে খাইতে এমন পর্যায়ে চলে গেছি যা বলার মত নয়। প্রথম বাসটা শুরু হয়েছিল করোনা ভাইরাস দিয়ে। তারপর গেল ছাত্র আন্দোলন। তারপর গেল শিক্ষক দের আন্দোলন। এখন নাকি আবার শিক্ষকরা আন্দোলন করছে। এভাবে আন্দোলন চলতে থাকলে। পুরা দেশটাই আবার আন্দোলন হয়ে উঠবে। স্যারেরা আন্দোলন করছে তা করো আমাদের কেন ক্ষতিগ্রস্ত করবে।তারা আমাদের ক্ষতি করে তাদের পেট ভরার চেষ্টা করছে। তাতে আমাদের শিক্ষাটা আরো পিছিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকরা ও জনগন এভাবে আন্দোলন করতে থাকে। তাহলে দেশের উন্নতির চেয়ে অবনতি বেশি হবে । তারপর সামনে আবার নির্বাচন। এরপর কি আমাদের শিক্ষাটা ঠিক হবে কি হবে না, তা নিয়ে চিন্তা করার বিষয়। এভাবে যদি আন্দোলনের পর আন্দোলন চলে তাহলে সামনের ভবিষ্যতের ছেলেমেয়েরা কি শিখবে। আর একজন শিক্ষক হচ্ছে মানুষ গড়ার কারিগর। তারা এভাবে আন্দোলন করে অনেক কই ক্ষতি হচ্ছে তাদের অনেক শিক্ষক আহত হচ্ছে। তারপর যদি গিয়ে তাদের আন্দোলনের দাবি মানছে। দেখা যাবে তাদের আন্দোলন মানার পর আরেক শ্রেণীর মানুষ তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করবে। বলেছিল শেখ হাসিনা কে তাড়িয়ে নাকী...
--- ঢাকার ব্যস্ত শহরের মাঝে, যেখানে প্রতিদিন মানুষ হারে-জিতে জীবন কাটায়, সেখানেই বাস করত একজন মেধাবী ও স্বপ্নবাজ তরুণ—রিদয়। মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান হলেও স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। পড়াশোনায় ভালো, বন্ধুদের মাঝে প্রিয়, আর পরিবারের জন্য এক টুকরো আশা। রিদয়ের জীবনে নীলা নামের এক মেয়ের আগমন ঘটে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজেক্টে। নীলা ছিল সুন্দরী, চতুর, স্মার্ট—যেমনটা রোমান্টিক উপন্যাসে থাকে ঠিক তেমনই। প্রথম দেখাতেই রিদয় যেন তার জগত হারিয়ে ফেলে। নীলা তাকে আগ্রহ দেখায়, হাসে, সময় দেয়—আর রিদয় ধীরে ধীরে সবকিছু ভুলে যায়: পরিবার, বন্ধুবান্ধব, এমনকি নিজের স্বপ্নও। নীলার আচরণে ছিল এক অদ্ভুত আকর্ষণ, যেন সে জানতো কিভাবে একজন ছেলেকে তার আঙুলের ইশারায় ঘুরাতে হয়। সে মাঝে মাঝে দূরে সরে যেত, আবার কাছে আসত—ঠিক যতটুকু দরকার কাউকে মানসিকভাবে ভাঙার জন্য। দিনের পর দিন, রিদয় পড়াশোনা ফেলে নীলার পেছনে ছুটে বেড়ায়। সে নিজের সঞ্চয় নীলার শখে উজাড় করে দেয়। তার বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়, মা-বাবার কথাও সে শোনে না। সবাই তাকে সাবধান করেছিল, কিন্তু ভালোবাসার অন্ধ জগতে সে কারো কথা শুনতে চায়নি। নীলার...