আমরা এমন একটা জেনারেশন। যে জেনারেশনের পোলাপান যারা বাঁশ খাইতে খাইতে এমন পর্যায়ে চলে গেছি যা বলার মত নয়। প্রথম বাসটা শুরু হয়েছিল করোনা ভাইরাস দিয়ে। তারপর গেল ছাত্র আন্দোলন। তারপর গেল শিক্ষক দের আন্দোলন। এখন নাকি আবার শিক্ষকরা আন্দোলন করছে। এভাবে আন্দোলন চলতে থাকলে। পুরা দেশটাই আবার আন্দোলন হয়ে উঠবে। স্যারেরা আন্দোলন করছে তা করো আমাদের কেন ক্ষতিগ্রস্ত করবে।তারা আমাদের ক্ষতি করে তাদের পেট ভরার চেষ্টা করছে। তাতে আমাদের শিক্ষাটা আরো পিছিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকরা ও জনগন এভাবে আন্দোলন করতে থাকে। তাহলে দেশের উন্নতির চেয়ে অবনতি বেশি হবে । তারপর সামনে আবার নির্বাচন। এরপর কি আমাদের শিক্ষাটা ঠিক হবে কি হবে না, তা নিয়ে চিন্তা করার বিষয়। এভাবে যদি আন্দোলনের পর আন্দোলন চলে তাহলে সামনের ভবিষ্যতের ছেলেমেয়েরা কি শিখবে। আর একজন শিক্ষক হচ্ছে মানুষ গড়ার কারিগর। তারা এভাবে আন্দোলন করে অনেক কই ক্ষতি হচ্ছে তাদের অনেক শিক্ষক আহত হচ্ছে। তারপর যদি গিয়ে তাদের আন্দোলনের দাবি মানছে। দেখা যাবে তাদের আন্দোলন মানার পর আরেক শ্রেণীর মানুষ তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করবে। বলেছিল শেখ হাসিনা কে তাড়িয়ে নাকী...
বৃষ্টি শুকায় কতবার খুলে চুল,
বৃষ্টি পরে না ভেজা শাড়ি আর ভুলেও
বৃষ্টি এখনো মেঘেতেই মশগুল।
শৌনক দত্ত
বৃষ্টির মুখশ্রী
বৃষ্টিমগ্ন অস্থির দিন; শহর ভিজে যায়... ভিজে যায় নির্জন বাতিঘর। মেঘে মেঘে পায়চারি করে সন্ন্যাসী খোঁজ। জলের ছাঁট অবান্তর জানালায় পাশাপাশি। দুটি মানুষের ছায়া যোজন দূরত্বের বানান লিখে রাখে। আদিম তর্জমায় কয়েকপাতা লালন থতমত মফস্বলের দিকে চলে যায়... অথচ আমাদের বলা হয়েছিল নির্জনতা হচ্ছে ভুটান পাহাড় থেকে দেখা বর্ষার নাম।
এসব বৃষ্টিবেলায় পৃথিবীর তাবৎ ম্যাজিক মুগ্ধ যোজনার মেঘ চুইয়ে পড়ে। বাইফোকাল চশমার কাচে ঝাপসা জলজবিন্দু অনুবাদ করে প্রিয় মুখ। যারা শেষ ট্রেনে মৃতজাত ঘুমের দিকে চলে গেছে। আমাদের ভুল উচ্চারণের একাকিত্বে বৃষ্টিও এক প্রতীক্ষার নাম।
- Get link
- X
- Other Apps
- Get link
- X
- Other Apps
Comments
Post a Comment