আমরা এমন একটা জেনারেশন। যে জেনারেশনের পোলাপান যারা বাঁশ খাইতে খাইতে এমন পর্যায়ে চলে গেছি যা বলার মত নয়। প্রথম বাসটা শুরু হয়েছিল করোনা ভাইরাস দিয়ে। তারপর গেল ছাত্র আন্দোলন। তারপর গেল শিক্ষক দের আন্দোলন। এখন নাকি আবার শিক্ষকরা আন্দোলন করছে। এভাবে আন্দোলন চলতে থাকলে। পুরা দেশটাই আবার আন্দোলন হয়ে উঠবে। স্যারেরা আন্দোলন করছে তা করো আমাদের কেন ক্ষতিগ্রস্ত করবে।তারা আমাদের ক্ষতি করে তাদের পেট ভরার চেষ্টা করছে। তাতে আমাদের শিক্ষাটা আরো পিছিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকরা ও জনগন এভাবে আন্দোলন করতে থাকে। তাহলে দেশের উন্নতির চেয়ে অবনতি বেশি হবে । তারপর সামনে আবার নির্বাচন। এরপর কি আমাদের শিক্ষাটা ঠিক হবে কি হবে না, তা নিয়ে চিন্তা করার বিষয়। এভাবে যদি আন্দোলনের পর আন্দোলন চলে তাহলে সামনের ভবিষ্যতের ছেলেমেয়েরা কি শিখবে। আর একজন শিক্ষক হচ্ছে মানুষ গড়ার কারিগর। তারা এভাবে আন্দোলন করে অনেক কই ক্ষতি হচ্ছে তাদের অনেক শিক্ষক আহত হচ্ছে। তারপর যদি গিয়ে তাদের আন্দোলনের দাবি মানছে। দেখা যাবে তাদের আন্দোলন মানার পর আরেক শ্রেণীর মানুষ তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করবে। বলেছিল শেখ হাসিনা কে তাড়িয়ে নাকী...
আমি ভাইয়া খুব একটা পারদর্শী নই বিশ্লেষণ করতে। ভুল করে কিছু বলে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। "তুমি বড় বেশি এক্সট্রাপোলেট করো মাঝে মাঝে", এই বাক্যটা আমার অনেক আগে শোনা হয়েছে আরো এমন অনেক বাক্যের সাথে, তবু তার প্রতি আমার এক বিন্দু শ্রদ্ধা ভালবাসা বিশ্বাস কমেনি, এবং কমবেও না কোনোদিন!
তেমনটা ঠিক আপনার ব্যাপারেও সত্যি।
Comments
Post a Comment